তবে কোম্পানি তিনটির পক্ষ থেকে শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চিঠির জবাবে এমন তথ্য জানিয়েছে আনলিমা ইয়ার্ন, আজিজ পাইপস এবং রিজেন্ট টেক্সটাইল।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৩ মে ডিএসইতে আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারদর ছিল ১৯ টাকা ৩০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল শেয়ারটির দর ৩২ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সে হিসেবে গত দেড় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৬৯ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৮১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩৬ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৮৩ পয়সায়।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৭ মে ডিএসইতে আজিজ পাইপসের শেয়ারদর ছিল ৫৭ টাকা ১০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল শেয়ারটির দর ৭৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সে হিসেবে গত এক মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৭৫ পয়সায়।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৮ মে ডিএসইতে রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারদর ছিল ৪ টাকা ৩০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ারটির দর ৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সে হিসেবে গত এক মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।
সর্বশেষ ২০২০-২১ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক তথ্য প্রকাশ করেছে রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস। এর পর থেকে কোম্পানিটি কোনো আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না। ফলে কোম্পানিটির প্রকৃত আর্থিক ও ব্যবসায়িক তথ্য জানতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা।
আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি।